Trending

Monday, 20 May 2019

ভাঙলো বিয়ে, মদের গন্ধ বরের মুখে




ঘটনাটি হলো ওড়িশার জজাপুরের, সেখানে দুই বছর আগে ২২ বছর বয়সী সঙ্ঘমিত্রা শেঠি নাম এক তরুণী একটি মদের দোকান বন্ধকরে জাজপরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।তারপরও সঙ্ঘমিত্রা নানান মদবিরোধী অভিযানে যুক্ত ছিলেন তিনি।সম্প্রতি জাজপুর জেলার বানিয়ামালা গ্রামে সঙ্ঘমিত্রার বাড়িতে বসেছিল তার বিয়ের আসর। বাড়ির সবাই আনন্দেই ছিলেন। পাত্রের নাম ছিল হাদিবন্ধু শেঠি। তিনি কলকাতায় কাজ করেন। তিনি হয়তো জানতেন না যে তার হবু বউয়ের কাছে মদ কতটা অপছন্দের, তাই তিনি তার বিয়ের আনন্দে মদ পানকরে বসেছিলেন বিয়ের আসরে।  তারপরেই সঙ্ঘমিত্রা তারপর পাশে বসা তার প্রাক্তন হবু বর হাদিবন্ধুর মুখে মদের গন্ধ পেয়ে সোজা বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে পড়েন সঙ্ঘমিত্রা। 





এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "বিয়ের মণ্ডপে মন্ত্র পড়া চলছিল।হঠাৎ আমরা খেয়াল করি, সঙ্ঘমিত্রা বার বার নাক কুঁচকাচ্ছে। প্রথমে বুঝতে পারিনি বিষয়টা। কিন্তু তারপর সে রাগে ফেটে পড়ে, বলে বিয়ে করবে না।’’ সঙ্ঘমিত্রার মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যান বিয়েতে উপস্থিত সকলে। এরপরই বিয়ের আসর থেকে বেরিয়ে যান সঙ্ঘমিত্রা।" পরে এক সাংবাদিককে সঙ্ঘমিত্রা শেঠি বলেন, "গ্রামের মেয়েদের নিয়ে আমরা গত দু’বছর ধরে অনেক মদের দোকান, ভাটি বন্ধ করেছি।যখনই বুঝতে পারি আমার হবু স্বামী মদ খেয়ে রয়েছে, তখনই মাথায় রক্ত উঠে যায়। কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন লোক, এর থেকেই বোঝা যায়।"







তারপর পাত্র আর পাত্রীর দুই পক্ষের লোকই অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন যাতে বিয়েটা না ভাঙে। কিন্তু সঙ্ঘমিত্রা নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। পাশে অবশ্য নিজের কয়েকজন বন্ধুকে পেয়েছিলেন তিনি।যারা বিয়ে ভেঙে দেওয়াকে সমর্থন করেছিলেন।গ্রামের বয়স্ক এবং পঞ্চায়েত প্রধান মিলি জেনা পাত্রপক্ষকে নির্দেশ দেন সোনার গয়না আর যে নগদ পাত্রীপক্ষ দিয়েছিল, সেগুলো ফেরত দিতে হবে। এরপরই এক পারিবারিক পরিচিত একজনকে বিয়ে করেন সঙ্ঘমিত্রা।

No comments:

Post a comment