Trending

Saturday, 1 June 2019

আলেহান্দ্রোর নোটবুকে কাদের নাম রয়েছে ?




গোলরক্ষকের পজিশনে প্রতিটা মরসুমেই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে।  পুরো টিমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকলেও দলের শেষ ডিফেন্ডার কখনওই ভরসা জোগাতে পারেনি। দীর্ঘদিন এই সমস্যায় জর্জরিত ইস্টবেঙ্গল গত মরসুমে সই করায় মিনার্ভা পঞ্জাবের হয়ে আই লিগ জয়ী রক্ষিণ ডাগরকে। প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হন রক্ষিন । প্রায় নাগালের মধ্যে থাকা আই লিগ এক পয়েন্টের জন্য এই মরসুমে হাত ছাড়া করে ইস্টবেঙ্গল। যার দায় এড়াতে পারেন না লাল-হলুদ গোলরক্ষক। এ বার হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চলেছে আশিয়ান কাপ জয়ী ক্লাবটি। মরসুমের মাঝ পথে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরই একাধিক যোগ্য ফুটবলারকে সই করিয়ে দলের শক্তি বাড়িয়েছিল কোয়েস। সেই সময়ে গোলরক্ষক পজিশনে যোগ্য ফুটবলারকে সই করানোর উপায় না থাকলেও এ বার নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষকের সন্ধানে ইস্টবেঙ্গল। 

অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতের জার্সিতে প্রতিনিধিত্ব করা ধীরজ মইরাংথেমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কথা চালাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। তরুণ এই গোলরক্ষক নিজেও ইচ্ছা প্রকাশ করেছে লাল-হলুদে খেলার বিষয়ে। তবে, পুরোটাই আলোচনার পর্যায় রয়েছে এখনও। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আসন্ন মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে দেখা যাবে বিলাল খানকে। গত আই লিগে রিয়াল কাশ্মীরের গোলদূর্গের নীচে অনবদ্য পারফর্ম করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের এই গোলরক্ষক। মরসুম শেষেই দেশে ফিরে গিয়েছেন মেক্সিকোর জাতীয় দলের প্রাক্তন স্ট্রাইকার এনরিকে এসকুইদা। কোচের সঙ্গে সমস্যার জেরে লাল-হলুদে শেষ এনরিকের ইনিংস। আলেজান্দ্রোর তত্বাবধানে বদলে যাওয়া জবি জাস্টিন সই করেছেন এটিকে-র চুক্তি পত্রে। এই দুই স্ট্রাইকার আই লিগে যৌথ ভাবে করেছিল ১৮টি গোল। 

এই পরিস্থিতিতে বেঙ্গালুরুর হয়ে আইএসএল জয়ী মিকুর সঙ্গে কথা চালাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। এছাড়াও ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন প্যারাগুয়ের স্ট্রাইকার কার্লোস আকুনা। আলেজান্দ্রোর সময়ে রিয়াল মাদ্রিদ ‘বি’ দলে খেলেছিলেন আকুনা। পুরনো ছাত্রকে ভাল মতো চেনেন আলেজান্দ্রোও। কোচের মাধ্যমেই বর্তমানে আকুনার সঙ্গে কথা এগচ্ছে ইস্টবেঙ্গল।  

No comments:

Post a comment