Trending

Tuesday, 24 September 2019

আরো একবার গণধোলাইয়ে মৃত্যু ঝাড়খন্ডে



ঝাড়খণ্ডের খুন্তি জেলার বাসিন্দা 34 বছর বয়সী এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে।গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে আরো দুজন।ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে পুলিশ। 

 গ্রামবাসীদের তরফে জানানো হয়েছে, ওই যুবক দোকানেই লুকিয়ে গোমাংস বিক্রি করছিল।ঘটনাটি মুখে-মুখে চাউর হয়ে যায় গোটা গ্রামে।তারপরই দলবল বেঁধে গ্রামবাসীরা যুবকের দোকানে চড়াও হন, কি ধরনের মাংস বিক্রি করছে এই নিয়ে  তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন, এত লোকের এত রকম প্রশ্নের মুখে হতভম্ব হয়ে পড়ে ছেলেটি।সে অসংলগ্ন উত্তর দিতে থাকে।হঠাৎ গ্রামবাসীরা তার উপর চড়াও হয়ে তাকে মারতে শুরু করে।তাকে বাঁচাতে আরো দুজন এলে তাদের উপরেও গণপ্রহার করা হয়। 

 অনেকক্ষণ মার খাওয়ার পর তিনজনে ঘটনাস্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।ইতিমধ্যে খবর যায় থানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।তারা আক্রান্ত তিন জনকে উদ্ধার করে রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্সে পাঠাবার বন্দোবস্ত করে।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। 

 পুলিশ আধিকারিক এবি হোমকার জানান গ্রামবাসীদের থেকে খবর পাই গ্রামে একটি ছেলে গো মাংস বিক্রি করছে, আর তাই নিয়ে গ্রামবাসীরা রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে তার উপর চড়াও হয়েছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই,এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করতে পেরেছি। 

এর আগে জুন মাসে ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলায় তবরেজ  অন্সারি নামে এক যুবককে প্রচুর মারধর করে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে বাধ্য করা হয়।টানা 6 ঘণ্টা ধরে তাকে মারা হয়।এরপর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলেও সেখানে তাকে বাঁচানো যায়নি,  যদিও তার  মৃত্যুর ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হার্ট অ্যাটাকের কথা লেখা ছিল।পরে অবশ্য চাপের মুখে যে দোষীদের  বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই গোমাংসের ঘটনা ঘটলো ঝাড়খন্ডে।



No comments:

Post a comment