Trending

Thursday, 26 September 2019

সমুদ্রের গ্রাসে খুব শীঘ্রই চলে যেতে পারে কলকাতা



 বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে গোটা পৃথিবী জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।আবহাওয়ার  দ্রুত পরিবর্তন নিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক করেও মিলছে না কোনো সমাধান সূত্র।আবহাওয়া বিশারদদের মতে দ্রুত এই সমস্যার কোনো সমাধান বের না করতে পারলে খুব তাড়াতাড়ি এই বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরেই মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

 এরমধ্যে রাষ্ট্রসঙ্ঘের একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে, এই রিপোর্টে বলা হয়েছে বিশ্বের 45 টি শহর রয়েছে রিক্স জোনে।এই শহরগুলি সমুদ্রের নিকটবর্তী হওয়ায় বরফ গলার  কারণে জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে ভেসে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।আতঙ্কের বিষয় হলো এই 45 টি শহরের মধ্যে রয়েছে ভারতের প্রধান চারটি শহর কলকাতা,  মুম্বাই,  সুরাট,  চেন্নাই। 

 যে হারে হিমালয়ের বরফ গলছে তার জেরেই বিপদসীমা তৈরি হয়েছে এই চারটি শহরে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের রিপোর্ট অনুযায়ী এর আগে এমনভাবে সমুদ্রের জল বাড়তে দেখা যায়নি, জলস্তর বৃদ্ধির কারণে এই শতকের শেষেই 140 কোটি মানুষের ওপর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।


 রিপোর্ট অনুযায়ী যদি সমুদ্রের জল 50 সেন্টিমিটার করে বাড়ে,তাহলে ওই 45 টি শহর ভেসে যাবে।আগে প্রতি 100 বছরে সমুদ্রের জল বাড়তো, কিন্তু এখন প্রতি বছর জলস্তর একটু একটু করে বেড়ে চলেছে।এভাবে চলতে থাকলে বাড়বে সামুদ্রিক প্রাণীদের মৃত্যু এবং সাইক্লোন দেখা যাবে ঘন ঘন।

 মানুষ যদি জলবায়ু নিয়ে এখনই সচেতন না হয় তাহলে জলস্তর 60 থেকে 110 সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যাবে।রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিবছর 3.6 মিলিমিটার করে জল বাড়ছে।রিপোর্ট অনুযায়ী 2100 সালের মধ্যে তাপমাত্রা 3.5 থেকে 6 ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন কমালে হয়তো মানুষের বর্তমান জীবনযাত্রায়  একটু অসুবিধা হবে তবে আদতে মানুষের জীবন বেঁচে যাবে।

 2015 সালে ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এর আগেই কলকাতাকে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছিল।রিপোর্টে বলা হয়েছিল যদি বিশ্বের তাপমাত্রা মাত্র চার ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট বেড়ে যায় তাহলে ভারতের উপকূলবর্তী এলাকার প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষ সমুদ্রের জলে তলিয়ে যাবে।চীন,ভিয়েতনাম,ভারত,বাংলাদেশ এর বর্তমান জনসংখ্যার অর্ধেক সমুদ্রের জলের তলায় চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল।এর মধ্যে কলকাতা,  মুম্বাই, হাওড়ার মত শহরগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সবচেয়ে বেশি। 



No comments:

Post a comment